২৫শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ১০ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

জামা কাপড়ের মাড় দিয়ে তৈরি হয় কুলফি আইসক্রিম

শনিবার, ১৯ মার্চ ২০১৬

টেকনাফবার্তা২৪ডটকম

kulfi1নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্রগ্রাম ঃ চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিনের নেতৃতে নগরীর চান্দগাও থানাধীন বহদ্দারহাট এলাকার বহদ্দারহাট পুকুর এর পূর্বপাড়ে অবস্থিত সুমাইয়া আইস বার এর কারখানায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আজ সকাল ১১.৩০ মিনিটের দিকে এ অভিযান পরিচালনা করেন তিনি।

অভিযানকালে মালিক ফাইজুল ইসলাম,পিতা-আবু সিদ্দিক ভ্রাম্যমাণ আদালতকে জানান, আমার কোন ধরনের লাইসেন্স নাই।আমি এর আগে আইসক্রিম বিক্রি করতাম,এখন নিজেই বানাই।

প্র: আপনি এই রঙ আর কেমিকেল ব্যবহার করছেন,আপনার কোন অভিজ্ঞতা/ কেমিস্ট আছে??
-না স্যার।চোখের আন্দাজ।
প্র: এই লেমন আইসক্রিম এর উপাদান কি??
-স্যার, মিথ্যা বলব না।ঘনিচিনি,সাইট্রিক এসিড আর সবুজ রঙ দিয়া লেমন আইসক্রিম। দাম পাচ টাকা।
প্র: আর কুলফি আইসক্রিম কি দিয়ে বানান??
– আ্যারারোট(যা জামা কাপড়ের মাড় হিসেবে ব্যবহার হয়),ঘনচিনি,স্যাকারিন।
প্র: চকলেট আইসক্রিম কি দিয়ে বানান?
– পাম ওয়েল এর সাথে চকলেট পাউডার মিশিয়ে প্রলেপ দিয়ে বানাই।
প্র: ঘনিচিনি যে নিষিদ্ধ এটা জানেন আর সাইট্রিক এসিড কেমিস্ট ছাড়াই কিভাবে মেশাচ্ছেন?
– জানি এটা নিষিদ্ধ, তবে এই চিনি অল্প দিলেই অনেক কাজ হয় খরচও কম লাগে।চোখের আন্দাজে সাইট্রিক এসিড মিশাই।(কারখানার কর্মিরা সাইট্রিক এসিডকে বলে টক)
প্র: আপনার কারখানায় কোন সাধারণ চিনি দেখলাম না।
-স্যার মিথ্যা বলব না।আমি সাধারন চিনি ব্যবহার করি না।আমরা যারা এই ব্যবসা করি সবাই ঘনচিনিই বেশি ব্যবহার করি।

কারখানা সীলগালা করে বন্ধ করে দেয়া হয়।এসময় ৪০০০ পিস আইসক্রিম জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।এবং আনুমানিক ১০,০০০ টাকার বিভিন্ন কেমিক্যাল ধ্বংস করা হয়।

এসময় মালিককে ২০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

টেকনাফ বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য




Leave a Reply

Your email address will not be published.