১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং, ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ই মুহাররম, ১৪৪১ হিজরী

গাড়ি চালক ও মালিকদের শাস্তির বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইন চূড়ান্ত

রবিবার, ১০ এপ্রিল ২০১৬

টেকনাফবার্তা২৪ডটকম 

communication_ministry_914596206ডেস্ক সংবাদ : সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সড়কে বাড়ছে যানবাহন, বাড়ছে গতি। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যাও। বুয়েটের হিসাব মতে বছরে অন্তত ৫ হাজার সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে। আহত বা ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণও ১০ হাজারের কম নয়। সরকারি হিসেবে তা অনেক কম। সংস্থাগুলোর হিসেব যাই হোক, সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এটাই সত্য। যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অন্যতম বাধা বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তাই এই ক্ষয়ক্ষতি কমাতে শাস্তির বিধান বাড়িয়ে ১৯৮৩ সালের মোটরযান অধ্যাদেশটি সংশোধন করে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন -২০১৬।

আইন অমান্যকারী গাড়ি চালক ও মালিকদের শাস্তির বিধান রেখে চূড়ান্ত হচ্ছে সড়ক পরিবহন আইন- ২০১৬-এর খসড়া। নতুন আইনে একটি পরিবারে ক’টি গাড়ি থাকবে, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন, মালিকানা, গাড়ির ফিটনেস ও কাগজপত্র হালনাগাদ সহজীকরণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে।

রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত কর্মশালায় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, মানুষ শিগগিরই এই আইনের সুফল পাবেন।

এই আইনের ফলে ড়কে মৃত্যুর হার কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই প্রতিনিধি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. এন প্যারানিথারান বলেন, শহর এবং সদর হাসপাতালগুলোতে রোগীরা যেসব কারণে ভর্তি হন সেখানে প্রথম তিনটির মধ্যে একটির কারণ সড়ক দুর্ঘটনা। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

অন্যদিকে সড়কে নিয়ম শৃঙ্খলা ফিরিয়ে নিয়ে আসা এবং মৃত্যুর হার কমিয়ে আনাই আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য বলে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, “পরিবহন চালকদের জন্য বড় ধরণের শাস্তির বিধান রেখে আইন করা উচিত। শাস্তি কম রাখলে চালকদের অপরাধ কমবে না।

“এ শাস্তি ২ লাখ টাকার আর্থিক জরিমানা হতে পারে, জেল জরিমানাও হতে পারে। এ জরিমানার ভয়ে চালকরা সতর্কভাবে গাড়ি চালাবে।”

ওবায়দুল কাদের পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “আমার মন্ত্রণালয়ের খবরদারির জন্য আইন চাই না। জনস্বার্থে আইন চাই। সড়ক পরিবহন খাতকে শৃঙ্খলায় আনতে আমাদের কঠোর হতে হবে।”

পাশাপাশি পথচারী পারাপারে ফুট ওভার পাস ব্যবহার, নির্ধারিত গতি-সীমায় চলাচল না করা , শব্দ দূষণ ও যত্রতত্র পার্কিং করার বিষয়েও কড়কড়ি আরোপ করা হবে বলে একমত হন আলোচকরা।

টেকনাফ বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য




Leave a Reply

Your email address will not be published.