১৯শে আগস্ট, ২০১৯ ইং, ৪ঠা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪০ হিজরী

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র আঘাতে শাহপরীর দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে ঘোলা পাড়া,প্লাবিত হয়েছে কয়েকটি গ্রাম

রবিবার,২২মে ২০১৬

টেকনাফবার্তা২৪ডটকম

জসিম মাহমুদ,টেকনাফ:

ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র আঘাতে বঙ্গোপসাগরে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গোলা পাড়া,পশ্চিম পাড়া,মাঝের পাড়া ও জালিয়া পাড়ায় অধিকাংশ ঘরবাড়ি জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।আর শাহ পরীর দ্বীপ জেটি ঘাট এলাকায় কয়েকটি নৌকা ডুবে  এবং ভেঙ্গে গেছে ।শাহ পরীর দ্বীপ জালিয়া পাড়ায় বেড়ি বাধ ভেঙ্গে লবনের মাঠে জোয়ারের পানি ঢুকলে প্রচুর লবন, পানির  সাথে মিশে যায় এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধিত হয়।শাহপরীর দ্বীপে কোথাও প্রাণ হানির ঘটনা ঘটেনি, তবে কিছু  গাছ পালা গাছ পালা ভেঙ্গে প্রচুর ঘর বাড়ী নষ্ট হয়ে যায়।ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র আঘাতে শাহ পরীর দ্বীপ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েগেছে ঘোলা পাড়া।ঘোলা পাড়ায় ১০০ টি ঘর বসতি রয়েছে তার মধ্যে প্রায় ঘর বাড়ী বাতাসে ভেঙ্গে গেছে তাদের ঘর বাড়ী  এখন জোয়ার ভাটায় পরিনত হয়েছে।ছাত্র ছাত্রীদের আসা যাওয়া করতে খুব কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষের মাঝে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আতংক বিরাজ করছিল।২০১২সালে পশ্চিমের বেড়িবাঁধ বিধ্বস্থ হয়ে বঙ্গোপসাগরের পানিতে জোয়ার-ভাটার  বন্দী এ দ্বীপের মানুষ।শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু’র ৬ নং বিপদ সংকেতের বার্তা পৌঁছলে শাহ পরীর দ্বীপের মানুষ খুবই আতঙ্কংকিত হয়ে পড়ে।

এদিকে বেড়িবাঁধ ভাঙ্গনের পর থেকে শাহপরীর দ্বীপ থেকে টেকনাফ যোগাযোগের প্র2016-05-21-1426ধান সড়কটি জোয়ারের পানিতে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে জোয়ারের সময় নৌকা দিয়ে হারিয়াখালী হয়ে টেকনাফে আসা যাওয়া করতে হয়। ভাটার সময় ৪ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে হারিয়াখালি যেতে হয়। বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় যেকোন দূর্যোগ চলা কালীন সময়ে টেকনাফ কিংবা যেকোন নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ের সুযোগ নেই শাহ পরীর দ্বীপের মানুষের।

এই শাহপরীর দ্বীপের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে মাত্র ৪টি।এসবের আনুমানিক ধারণ ক্ষমতা সর্বোচ্চ ২হাজার।এছাড়া দূর্যোগকালীন সময়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মত মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। সব মিলিয়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। ৪০ হাজারের মধ্যে বাকি মানুষ আশ্রয় নেওয়ার জায়গানেই।তাই সরকারের কাছে শাহ পরীর দ্বীপ বাসীর দাবী আরও আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের।এখন শাহ পরীর দ্বীপ বাসীর একটাই মাত্র দাবী অতি শিগিরি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে টেকসই ভেড়ি বাধঁ নির্মানে।

টেকনাফ বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য




Leave a Reply

Your email address will not be published.