২৩শে মে, ২০১৯ ইং, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রমযান, ১৪৪০ হিজরী

বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দেড়শতাধিক লোকের প্রাণহানী এই পর্যন্ত

শনিবার ১৭ জুন, ২০১৭

টেকনাফবার্তা২৪ডটকম

ডেস্কসংবাদ ঃ রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দেড়শতাধিক লোকের প্রাণহানী হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে। অসংখ্য বাড়িঘর বিধ্বস্ত, বিদ্যুৎ নেই, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন; যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে নিত্যব্যবহার্য পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি পড়েছে। ফলে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে হু-হু করে। পাহাড়ধসের কারণে আক্রান্ত মানুষদের বাইরেও যারা তারাও পড়েছেন সংকটে। পাহাড়ধসের সরকারি উদ্ধার অভিযানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে শুক্রবার।

সরকারি হিসেবে নিহতের সংখ্যা ১৫৬। এর বাইরেও নিখোঁজ আছেন অনেকেই। প্রশাসন নিখোঁজের ব্যাপারটি অস্বীকার করছে না, বলছে তারা খবর পেলে ফের উদ্ধার অভিযানে নামবে। ফলে ধারণা করা যায়, মৃতের সংখ্যা উদ্ধার হওয়া লাশের চাইতে বেশি হতে পারে। পাহাড়ধসের প্রথম দিনেই উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া চার সেনাসদস্য মাটিচাপা পড়ে মারা যান। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) সেনাসদস্যদের নিহতের খবর নিশ্চিত করার সাথে সাথেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সুইডেনে উদ্দেশ্যে লন্ডন হয়ে ঢাকা ছাড়ার সময়ে এ দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ হলেও শোক প্রকাশ করেছেন। ধারণা করা যায়, এটা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের রুটিন এক্টিভিটি; তাই বিমানে থাকলেও শোকের বার্তা দেওয়া সম্ভব। জানি না, প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাহাড়ধসের ঘটনা পরিপূর্ণভাবে জানানো হয়েছিল কীনা? জানানো হয়েছিল কীনা

টেকনাফ বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য