২০শে জুন, ২০১৯ ইং, ৬ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, ১৭ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

থ্যায়ংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ২৭ জোড়া গনবিয়ে অনুষ্ঠিত

সোমবার,২৫ মার্চ ২০১৯

টেকনাফবার্তা২৪ডটকম

গনবিয়ে শেষে মোনাজাত করছেন রোহিঙ্গা নবদম্পতি।

বিশেষ সংবাদদাতা : উখিয়া উপজেলা বার্মাপাড়ার থ্যায়ংখালী ‘ রোহিঙ্গা ক্যাম্প নাম্বার ১৩’ এর ক্যাম্প ইনচার্জ ( সিআইসি) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ এর উদ্যোগে ২৭ জোড়া রোহিঙ্গার গনবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তবে এ সময় সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন উক্ত ক্যাম্পের সাইট ম্যানেজমেন্ট আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থা ‘কেয়ার বাংলাদেশ’। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আবুল কালাম এ গনবিয়ের উদ্বোধন করেন।

সোমবার সকাল ১০ টার দিকে ক্যাম্প ইনচার্জের হলরুমে এ গনবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

রোহিঙ্গা নবদম্পতিদের সাথে কথা বলছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম।

ক্যাম্প প্রধান ইমাম নুরুল ইসলাম এ গনবিয়ে পড়ান। এসময় উপস্থিত বর ও কনের পরিবারের সদস্যদের আনন্দ মুখর ছিলেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন- “ইসলাম শান্তির ধর্ম তাই ব্লকে কোন ধরনের অনিয়ম কিম্বা বিস্রিংখলা করা যাবেনা। তোমাদের সবার সুখি ও সুন্দর জীবন কামনা করছি”। পরে তিনি নবদম্পতিদের সাথে কথা বলেন। সার্বিক সহযোগিতায় কেয়ার বাংলাদেশ সাইট ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

এসময় ক্যাম্প ইনচার্জ ( সিআইসি) মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ বলেন, এ বিয়ে ক্যাম্পে নবসুচনা করল এবং এটিই কোন ক্যাম্পে গনবিয়ে এই প্রথম।

গনবিয়েতে উপস্থিত বর আবুল হোসেন বলেন, “ আমরা খুবই আনন্দিত সুন্দর একটি পরিবেশে বিয়েতে বসতে পেরে। সেই সাথে ধন্যবাদ জানাই আমাদের ক্যাম্প সিআইসি স্যার ও কেয়ার বাংলাদেশ সাইট ম্যানেজমেন্টকে যাদের সহযোগীতায় এ গনবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোহিঙ্গা নবদম্পতিদের সাথে কথা বলছেন এনজিও সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশ সাইট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্প ম্যানেজার ডক্টর সোহেল মাহমুদ।

এই গনবিয়ে শেষে সকলকে মিষ্টি মুখ করানো হয়। এসময় এনজিও সংস্থা কেয়ার বাংলাদেশ সাইট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্প ম্যানেজার ডক্টর সোহেল মাহমুদ, টেকনিক্যাল কর্ডিনেটর ও অপারেশন মিনহাজ উদ্দিন আহমমেদ, উত্তম রোজারিও, মাহমুদ হাসান,জোন কর্ডিনেটর আবিদ হাসান, মোহসিনা বেগম, মোঃ ইব্রাহীম, রাশেদুল করিম, মোহাইমিনুল মুন্না, লাক্সমি রানী, সেনাবাহিনীর সদস্য আঃ মালেক ও ক্যাম্প ব্লকের সকল মাঝি উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মায়ানমার সেনাদের হাতে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রিত রয়েছেন ১০ লাখেরও বেশী রোহিঙ্গা। কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে তারা বসবাস করছেন।

টেকনাফ বার্তা ২৪ এ প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে আপনার মন্তব্য লিখুন

মন্তব্য